এ ধরনে ব্যাতিক্রমধর্মী আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনুষ্ঠানের আয়োজক লায়ন মোঃ রবিউল্লাহ ভূইয়া লাচ্চু জানান, আমি শৈশব কাল থেকে এই সমাজের সনাতন ধর্মের মানুষের মাঝে বড় হয়েছি, এই সমাজের সনাতন মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করেছি, আমার এই ব্যাক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে, এই সমাজের সকলকে সাথে নিয়ে একবেলা খাবার খাওয়ার ইচ্ছা থেকে আজকের এই আয়োজন। আমার এই আয়োজনটি বাস্তবায়ন করতে যারা পরিশ্রম করেছে, যারা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এটিকে প্রাণবন্ত করেছে তাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। সেই সাথে তিনি আরও বলেন মানুষ সামাজিক জীব উভয় ধর্মের মানুষই সৃষ্টিগতভাবে এক, তাই মানুষ হিসেবে আমাদের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই বলে মনেকরে-নিজেও তাদের সাথে দুপুরবেলায় প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন। এমন একটি আয়োজনে সমাজের সকলের সাথে একটি সামাজিক বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।
এসময় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃস্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, আমাদের এই মন্দিরে সকলের জন্য খাবারের ব্যবস্থাপনাটা ছিল খুবই চমৎকার ও মানসম্পন্ন, এ ধরনের আয়োজন করায় আমরা তাঁর প্রতি খুবই খুশি, আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও আমাদের সুখে-দুখে তাকে পাশে পাব, পরে তারা রবি উল্লাহ ভূঁইয়া লাচ্চুর জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট আশীর্বাদ ও প্রার্থনা করেন।
এই ধরনের সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে হিংসা বিদ্বেষ দূর করে, সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ ভেদাভেদ ভুলে, পরস্পরের সাথে মিলেমিশে সমাজে বসবাস করতে পারলে আমাদের সমাজ হয়ে উঠবে শান্তির আশ্রয়স্থল এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।