1. nusaibamedia@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  2. roufashraf24@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. moshiurrahmansohan11@gmail.com : স্টাফ রিপোর্টার : স্টাফ রিপোর্টার
  4. hmshamsuddinbd@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : HM SHAMSUDDIN
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

টাকার অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত পুলিশের গুলিতে আহত ইসমাইলের

কওমী ডেস্ক।।
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৮ জন দেখেছেন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে গত ২০ জুলাই গুলিতে আহত ফল ব্যবসায়ী ইসমাইলের টাকা না থাকায় ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না। আর্থিক অনটনের মধ্যে চার মাস ধরে তিনি শয্যাশায়ী। দেহের ভিতরে ২৩টি গুলি নিয়ে অসুস্থ এ ফল ব্যবসায়ী। সরকারি বেসরকারি কোনো সাহায্য পাননি তিনি। টাকার অভাবে কোনো হাসপাতাল তাকে স্থায়ীভাবে রেখে চিকিৎসাও দিচ্ছে না। ছেলেমেয়ে নিয়ে অসহায়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন।

মঙ্গলবার পরিবারের সঙ্গে বাসায় দেখা করতে গেলে, তার ওপর গুলিবর্ষণ ও নির্যাতনের করুণ বর্ণনা দেন আহত ফল ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।

ইসমাইল জানান, তিনি সাভারের শিমুলতলা এলাকার মালেক সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তিনি ৪ মাস ধরে অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তার শরীর ভেঙে পড়েছে। ব্যথায় চলাফেরা করতে কষ্ট হয়।  তার দেহে ২৩টি গুলির একটিও বের করা হয়নি।

তিনি বলেন, গত ১৮ জুলাই পুলিশ ও আওয়ামী লীগ সম্মিলিতভাবে ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে। আমি ওই আন্দোলনে শরিক হয়েছিলাম, নিজ খরচে আন্দোলনে যুক্ত থেকে সাভ্রা বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলনকারী ছেলেমেয়েদের পানি খাওয়াতাম। কারন একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী আমার বড় মেয়ে ইশিতা আখতার ইতিও তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যুক্ত ছিল।

তিনি বলেন, রাজধানীর ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে করার পর আমার শরীরে পুলিশের ছোঁড়া ২৩টি গুলির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। যা বর্তমনে আমার শরীরেই বিদ্ধ আছে। অর্থিক সংকটের কারনে সেসব এখনও অপারেশেনের মাধ্যমে বের করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের গুলিতে আহত ফল ব্যবসায়ী ইসমাইল বলেন, আমি অপরাধীদের বিচার দাবি করছি।

আহত ইসমাইলের বড় মেয়ে ইশিতা আখতার ইতি এ প্রতিবেদককে জানান, সেদিন সারা সাভার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। বাবার খবর শুনে আমরা কেউ ঘর থেকে বের হয়ে তাকে দেখতে যেতে পারিনি। হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার পর আমার চাচা রাত ২টার দিকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়; কিন্তু টাকা না থাকায় কোথাও বাবার সুচিকিৎসা পাইনি।

ডাক্তাররা বলেছেন, আরও সুস্থ হলে তার দেহের গুলিগুলো বের করার উদ্যাগ নিতে হবে; কিন্তু আমাদের সেই চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক সচ্ছলতা নেই।

ইসমাইলের স্ত্রী শহিদা আখতার যুগান্তরকে জানান, তার স্বামী এখন বেকার অবস্থায় আছে। চিকিৎসা তো দূরের কথা, সংসার চালানোই এখন দুরূহ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, নিজের যা ছিল সব টাকা শেষ। ঋণ হয়ে গেছে অনেক টাকা। বাড়ি ভাড়াও প্রায় ৪৫ হাজার টাকা বাকি রয়েছে।

এ সময় স্বামীর উন্নত চিকিৎসা ও দোষীদের বিচার দাবি করেন ইসমাইলের স্ত্রী শহিদা আখতার।

শেয়ার করতে নিচের বাটন চাপুন

এ ধরণের আরও খবর...
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৭ কওমী২৪ ডটকম
Developed By SHAMSUDDIN