
শায়েস্তাগঞ্জে জামেয়া হুসাইনিয়া মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগেরছা ছাত্র বুরহান উদ্দিন (১০) কে দুষ্টুমি করায় শিক্ষক হাজী মাও: সাইফুল ইসলাম বেত দিয়ে শাসন করেন। এ খবর পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রের পিতা মোঃ তাজুল ইসলাম সপনসহ তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে মাদ্রাসার ক্লাসরুমে প্রবেশ করে ওই শিক্ষককে এলোপাথারি ভাবে ছুরিকাঘাত করে। এতে শিক্ষক সাইফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করেন।
এদিকে মাদ্রাসা ছাত্র শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হবিগঞ্জ রোডে বেরিকেড দিয়ে দুই ঘন্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নূরে আলম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার পল্লব হোম দাস ঘটনাস্থলে এসে মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও চুনারুঘাট,উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ লিয়াকত হাসান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এম এ মজিদ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আ স ম আফজল আলী, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুল মন্নান বাবুল, শামীম চৌধুরী, মোঃ তাজুল ইসলাম, মোঃ রাসেল মিয়া, মোঃ ফয়েজ মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। পরে যান চলাচলে স্বাভাবিক হয়।
এর পূর্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। অন্যতায় পরবর্তীতে শায়েস্তাগঞ্জ হবিগঞ্জ রোড অবরোধ করে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলার হুঁশিয়ারি দেন মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।